“আমি হিন্দু এবং মুসলিম, দুটোই”- সালমান খান

0
395
অবৈধভাবে বিরল প্রজাতির হরিণ শিকারের এই মামলায় অবশেষে খালাস পেয়েছেন সালমান

১৮ বছরের দীর্ঘ সময় ধরে নিষ্পত্তি না হওয়া একটি মামলা। দায় সালমানের একার নয়, সঙ্গে ছিলেন ‘হাম সাথ সাথ হ্যায়’ ছবির সহশিল্পী সাইফ আলী খান, নীলম কোঠারি, সোনালি বেন্দ্রে ও টাবু। অবৈধভাবে বিরল প্রজাতির হরিণ শিকারের এই মামলায় অবশেষে খালাস পেয়েছেন সালমান। তবে আদালতে দীর্ঘ সময় অনেক প্রশ্নের উত্তরই দিতে হয়েছে তাঁকে, যেগুলোর উত্তর দিতে গিয়ে মাঝেমধ্যে স্বভাবসুলভ চমক দিয়েছেন তিনি, জানা গেল খালিজ টাইমসের খবরে।

সালমানসহ অন্য তারকারাও গত শুক্রবার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট দলপত সিং রাজপুরোহিতের আদালতে হাজির হয়েছিলেন। যার যার বক্তব্য তুলে ধরাই ছিল এই হাজিরার উদ্দেশ্য। এর আগে, ২৫ জানুয়ারি তাঁদের আদালতে আসার জন্য সময় বেঁধে দেওয়া হলেও নিরাপত্তাজনিত বিষয়ের উল্লেখ করে তাঁরা আসতে অসম্মতি জানান।

১৯৯৮ সাল থেকে ঝুলন্ত এই মামলায় বহুবার নিষ্পত্তির সম্ভাবনা দেখা গেলেও সময় দীর্ঘায়িত হয়েছে বিভিন্ন কারণে। অবশেষে এই মামলা থেকে খালাস পাওয়া সালমানের জন্য নিঃসন্দেহে স্বস্তি নিয়ে এসেছে। এদিন আদালতে তাঁকে মোট ৬৫টি প্রশ্নের জবাব দিতে হয়েছে।

এই মামলা থেকে খালাস পাওয়া সালমানের জন্য নিঃসন্দেহে স্বস্তি নিয়ে এসেছে
এই মামলা থেকে খালাস পাওয়া সালমানের জন্য নিঃসন্দেহে স্বস্তি নিয়ে এসেছে

সালমানের সহশিল্পীদেরও প্রশ্ন করা হয়েছে বটে, তবে সেটি তুলনামূলকভাবে কম। এই প্রশ্নগুলো ছিল নিজের নাম, বাবার নাম, বয়স, আবাসিক ঠিকানা এবং গোত্রবিষয়ক। এই প্রশ্নগুলো সালমানকেও করা হয়েছে। সঙ্গে এও জিজ্ঞাসা করা হয়েছে, ‘আপনার ধর্ম কী?’

এর জবাবে সালমান বলেন, ‘আমি হিন্দু এবং মুসলিম, দুটোই। আমি ভারতীয়’। এর পাশাপাশি তিনি ইংরেজিতে বলেন, ‘আই অ্যাম অ্যান ইন্ডিয়ান।’

চোরাশিকারের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে সালমান জবাব দিয়েছেন এভাবে যে, তিনি নিজে নিরাপত্তাজনিত কারণে বিকেলের পর বা রাতে বাইরেই যেতে পারতেন না। কাজেই তাঁর পক্ষে এমন কাজে জড়িত হওয়া সম্ভবই ছিল না!

এই সময় আদালতে সালমানের বোন আলভিরা এবং দেহরক্ষী শেরা উপস্থিত ছিলেন। অন্য তারকাদের আত্মীয়রাও হাজির হয়েছিলেন।

তথ্যসূত্রঃ খালিজ টাইমস

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here