এইডস (HIV) পরীক্ষা ঘরে বসেই করা যাবে

পুরোপুরি অসুস্থ হওয়ার আগেই রোগী নিজের রোগ সম্পর্কে সচেতন হতে পারবে।

এখন থেকে চাইলে ঘরে বসেই করা যাবে মরণব্যাধি এইচআইভি/এইডস এর পরীক্ষা। রোগটি সম্পর্কে জানা এবং এর পরীক্ষা আরো সহজ করতে নতুন এক দিকনির্দেশনায় এই তথ্য জানিয়েছে বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিওএইচও)।

সংস্থার এক প্রতিবেদনে বলা হয়, এইডস আক্রান্ত প্রত্যেক রোগীকে প্রতিরোধ ব্যবস্থা ‘অ্যান্টি রেট্রোভাইরাল থেরাপি’ (এআরটি) ব্যবহারের জন্য তাদের সুপারিশ বাস্তবায়নে প্রধান বাধা হচ্ছে রোগটি নির্ণয়ে সমস্যা। বর্তমানে সারা পৃথিবীতে ১ কোটি ৮০ লাখের বেশি এইচআইভি আক্রান্ত এআরটি গ্রহণ করছে। এছাড়া প্রায় সমসংখ্যক রোগী এই সেবা গ্রহণ থেকে বঞ্চিত। কারণ নিজেদের এইচআইভি সম্পর্কে তারা জানেই না।

বর্তমানে মোট এইডস আক্রান্তদের ৪০ শতাংশই তাদের রোগ সম্পর্কে অবহিত নয়। এদের মধ্যে অনেকেই উচ্চ ঝুঁকিতে রয়েছে। অথচ এইডস পরীক্ষার কোনো সুযোগ তারা পায় না।

পুরোপুরি অসুস্থ হওয়ার আগেই রোগী নিজের রোগ সম্পর্কে সচেতন হতে পারবে।

নিজে নিজে এইডস পরীক্ষা তেমন জটিল কিছু নয়।

ডব্লিওএইচও জানায়, নিজে নিজে এইডস পরীক্ষা তেমন জটিল কিছু নয়। মুখের লালা বা আঙুল থেকে এক ফোঁটা রক্ত নিয়েই সুবিধাজনক যেকোনো জায়গায় বসে এই পরীক্ষা করা যাবে। ২০ মিনিট বা তার কম সময়ে ফলাফলও পাওয়া যাবে।

পরীক্ষায় যাদের এইআইভি পজিটিভ ধরা পড়বে তাদের হাসপাতালে গিয়ে আবার পরীক্ষা করে নিশ্চিত হওয়ার নির্দেশনা দিয়েছে ডব্লিওএইচও। এই প্রক্রিয়ায় যেসব রোগী এইচআইভি পরীক্ষার বাইরে আছে তারা রোগটি নির্ণয়ের সুযোগ পাবে। পুরোপুরি অসুস্থ হওয়ার আগেই রোগী নিজের রোগ সম্পর্কে সচেতন হতে পারবে।

২০ মিনিট বা তার কম সময়ে ফলাফলও পাওয়া যাবে।
২০ মিনিট বা তার কম সময়ে ফলাফলও পাওয়া যাবে।

এইডস রোগের পরীক্ষার ব্যাপারে নারীদের চেয়ে পুরুষরা পিছিয়ে। মাত্র ৩০ শতাংশ পুরুষ এইডস আক্রান্ত রোগ নির্ণয়ের আওতায় আসতে পারে। এই কারণে তাদের এআরটি গ্রহণও সম্ভব হয় না। পূর্ব এবং দক্ষিণ আফ্রিকার দেশগুলোতে পুরুষের চেয়ে নারী এইডস রোগীর সংখ্যা ৮ গুণ বেশি। ১৫ থেকে ১৯ বছর বয়সী মেয়েদের প্রতি পাঁচজনে একজনেরও কম নিজের রোগ সম্পর্কে অবহিত।

সূত্র: বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার ওয়েবসাইট

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here