ওটমিল সুস্বাদু হয়

প্রাতরাশ ঠিকঠাক না হলে দিনটা ভালো যায় না। সারা দিনের কাজকর্ম মনের মতো হয় না। দ্রুত খাওয়া যায় এবং দরকারি পুষ্টিসমৃদ্ধ একটি সকালের নাশতা হচ্ছে ওটমিল। আঁশসমৃদ্ধ এ উপকারী খাবারটি আবার সহজেই বিশ্রী হয়ে উঠতে পারে। এ সমস্যা কাটাতে নিচের পরামর্শগুলো মেনে চলুন—

পানির পরিবর্তে দুধ ব্যবহার করুন

আপনি নিশ্চয়ই শুনেছেন যে ওটমিল একটা দারুণ প্রাতরাশ, কারণ এটা দুপুরের খাবারের আগ পর্যন্ত আপনার পেট ভরিয়ে রাখবে। কথাটা সত্য, কিন্তু এটা তখনই সম্ভব, যখন ওটমিল তৈরি হবে প্রোটিনসমৃদ্ধ কোনো তরলের সঙ্গে মিশিয়ে। এক্ষেত্রে পানি দিয়ে ওটমিল তৈরি করলে হবে না। এজন্য পানির পরিবর্তে দুধ বা মিষ্টিহীন সয়ামিল্ক ব্যবহার করতে হবে। নারকেলের দুধও ব্যবহার করা যায়। তবে এসবের সঙ্গে প্রোটিনের উচ্চমাত্রা নিশ্চিত করতে দুধের সঙ্গে বাদামও ব্যবহার করা উচিত।

বড় পাত্র ব্যবহার করুন

ওটমিল রান্নার জন্য একটু বড় পাত্র ব্যবহার করা উচিত। নতুবা পাত্র উপচে ওটমিল বাইরে পড়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। ওটমিল আঠালো প্রকৃতির এবং তাপে অনেক বড় বুদ্বুদ তৈরি করে। তাই রান্নার সময় বড় পাত্র ব্যবহার করুন।

কখন ওটমিল মেশাবেন

পরামর্শটি মাইক্রোওয়েভ ব্যবহারকারীদের জন্য নয়। বরং যারা চুলায় ওটমিল রান্না করেন, তাদের জন্য। আপনি যদি একেবারে ক্রিমের মতো ওটমিলের মিশ্রণ চান, তাহলে তরল মোটামুটি ফোটার পরই মিশিয়ে দিন। আর যদি ওটমিলের আকার অক্ষুণ্ন রাখতে চান, তাহলে তরল উত্তপ্ত হওয়ার আগেই তাতে ওটমিল মিশিয়ে দিন।

লবণ দিন

মিষ্টি ওটমিল রাঁধলেও তাতে সামান্য লবণ দিতে ভুলবেন না। লবণ দিতে হবে রান্নার একেবারে শুরুতে। লবণ দিলে ওটমিল খেতে সুস্বাদু হবে এবং আঠালো হয়ে যাবে না। তবে লবণ অবশ্যই রান্নার শেষে দেয়া ঠিক হবে না, তাহলে পুরো খাবারটি নোনতা হয়ে যাবে।

নাড়তে ভুলবেন না

রান্নার সময় ওটমিলে অনেক বড় বুদ্বুদ তৈরি হয়। নাড়লে এই বুদ্বুদগুলো বেশি বড় হয়ে বিস্ফোরিত হতে পারে না। এছাড়া নাড়লে খাবারটি সুস্বাদু হয়। বিশেষত, যারা একটু ক্রিমি ওটমিল চান, তাদের জন্য নাড়াটা জরুরি।

সূত্র: প্রিভেনশন ডটকম

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here