কেমন হবে এই সময়ের শাড়ি?

0
1238
বিয়ে, পার্টি, জন্মদিন, পিকনিক, ঈদ, পূজা, পহেলা বৈশাখ, পহেলা ফাল্গুন- কোথায় নেই শাড়ি।

বাঙালি নারীর রূপ ফুটে ওঠে শাড়িতে। শাড়ি আমাদের ঐতিহ্যের সাথে সেই আদিকাল থেকেই জড়িত। একটি সময় ছিল যখন বিয়েতে, উৎসবে কিংবা কোথাও বেড়াতে যাওয়ার কথা হলেই আলমারি খুলে দেখে হতো কোন কোন শাড়ি তুলে রাখা আছে। বর্তমানে এর গ্রহণযোগ্যতা আরো বেড়েছে। বিয়ে, পার্টি, জন্মদিন, পিকনিক, ঈদ, পূজা, পহেলা বৈশাখ, পহেলা ফাল্গুন- কোথায় নেই শাড়ি। উৎসবের সাথে সাথে শাড়ির ধরন আর রঙেও আছে পার্থক্য।

শাড়ি মূলত হয়ে থাকে বারো হাতের। পেশা এবং কাজের উপর ভিত্তি করে এক এক সময়ে এক এক ধরনের শাড়ি পরা হয়। বাজারে নানা ধরেনের নানা ডিজাইনের শাড়ি পাওয়া যায়। দেশীয় তৈরি শাড়ির পাশাপাশি বিদেশি তথা ভারতের বিভিন্ন এলাকার শাড়ি পাওয়া যায়। আমাদের দেশে সাধারণত শীত মৌসুমে বিয়ের অনুষ্ঠান বেশি হয়ে থাকে।

বিয়েতে কনের শাড়ির তালিকায় বেনারসি, কাতান, জামদানি বা মসলিন শাড়িগুলো পছন্দের তালিকার প্রথমেই থাকে। বেনারসি শাড়ির জন্য ঢাকা তথা বাংলাদেশের বিখ্যাত স্থান মিরপুর বেনারসি পল্লী। মিরপুর বেনারসি পল্লীতে বেনারসি, মাসলাইস কাতান, মিলেনিয়াম কাতান, জুট কাতান, কোটা কাতান, ব্রোকেট বেনারসি, কার্পেট বেনারসি, হানিকোট বেনারসি, রাজকোট বেনারসি, কোরা বেনারসি, জামদানি, বালুচরী বেনারসি, শাটিন বেনারসি, মসলিন সিল্ক, ঢাকাই মসলিন এবং জর্জেট শাড়ি পাওয়া যায়।

দেশীয় তৈরি শাড়ির পাশাপাশি বিদেশি তথা ভারতের বিভিন্ন এলাকার শাড়ি পাওয়া যায়
দেশীয় তৈরি শাড়ির পাশাপাশি বিদেশি তথা ভারতের বিভিন্ন এলাকার শাড়ি পাওয়া যায়

শীতের এই সময়ে শাড়ির ক্ষেত্রে কাতান, বেনারসি, জামদানি সবচেয়ে ভালো। জামদানি শাড়ি কিছুটা ভারি কাজের হয়ে থাকে। আর এর সুতাও ভারী তন্তু থেকে হয়ে থাকে। তাই এই শাড়িতে আপনি সহজেই পাবেন উষ্ণতা। কাতান, বেনারসীর ক্ষেত্রেও আপনি যেমন খুব সহজে শাড়ি পরতে পারবেন ঠিক তেমনি শাড়ি ভারী হওয়ায় এই শীতে বেশ ভালোভাবে নিজের সঙ্গে মানাতে পারবেন। আর এসব শাড়ি সাথে নিতে পারেন হালকা শাল। যা আপনাকে বেশ ভালো মানাবে।

এই শীতের ভারি শাড়ির ক্ষেত্রে যাদের গড়ন চিকন তারা সহজেই এই শাড়ি পরতে পারেন। ভারী কাজ আর এর ফোলা ভাব আপনাকে কিছুটা হলেও আলাদা দেখাবে। যাদের গড়ন একটু ভারী তারা হালকা শাড়ি কিংবা জামদানি বা কাতানের ক্ষেত্রে একরঙা শাড়ি বেছে নিতে পারেন। এতে আপনাকে খানিকটা চিকন দেখাবে।

দামদরঃ
জামদানী, বেনারসি কিংবা কাতান শীত মৌসুমের এই শাড়িগুলোর দাম পড়বে হাজার থেকে আটহাজার পর্যন্ত। এছাড়া হালকা কাজের মধ্যে চাইলে আপনি দুই হাজার থেকে পাঁচ হাজারের মধ্যেই পেয়ে যাবেন।

কোথায় পাবেনঃ
যমুনা ফিউচার পার্ক, ইষ্টার্ন প্লাজা, মিরপুরের বেনারসি পল্লিসহ আপনার আশে-পাশের অভিজাত শপিং মলগুলোতে পেয়ে যাবেন আপনার পছন্দের শাড়ি।

তথ্যসূত্রঃ এখানেই ডট কম

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here