ক্যান্সারের ঝুঁকি কমাতে প্রাকৃতিক মোমবাতি চিনে কিনুন!

ক্যান্সারের ঝুঁকি কমাতে প্রাকৃতিক মোমবাতি চিনে কিনুন!

বড় কাজের জিনিস আলো খেলা সৃষ্টিকারী মোমবাতি! কারেন্ট চলে গেলে মোমবাতির প্রয়োজন তো আছেই দামেও কম সুগন্ধযুক্ত নানা রকমের মোমবাতি এখন ঘর সাজানোর জন্য দারুণ একটি অনুষঙ্গ। এই উপকরণ দিয়ে একটি সাধারণ ঘরকে কিছুক্ষণের মধ্যে করে তোলা যায় সুন্দর ও মনোরম। কিংবা ডিনারে টেবিলের পাশে একটা জ্বলন্ত মোমবাতি রাখলেই হয়ে যাচ্ছে ক্যান্ডেল লাইট ডিনার। কিন্তু নরম আলোয় আবেশিত হওয়ার ফাঁকে বড় রকমের রোগ যেন বাঁধিয়ে না বসেন।

বাজারে এখন নানা রকমের মোমবাতি কিনতে পাওয়া যায়। যেসব মোমবাতির সলতের শেষাংশে সিসা জুড়ে দেয়া হয়, সেগুলো শরীরের জন্য ভালো নয়। আবার কিছু মোমবাতি নিজেই রাসায়নিক উপাদানের সংমিশ্রণে তৈরি, যা হতে পারে ক্যান্সারের কারণ! যেসব মোমবাতির সলতের শেষাংশ সিসা দিয়ে তৈরি, সেগুলো শিশুদের জন্য পাঁচ গুণ বেশি ক্ষতিকর। অন্যদিকে যেসব মোমবাতি প্যারাফিন ও পেট্রোলিয়াম দিয়ে তৈরি, সেগুলো জ্বালানোর পর যে ধোঁয়া ছড়ায়, তা থেকে হতে পারে ক্যান্সার। তবে কাপড় বা কাগজের সলতেযুক্ত মোমবাতি এবং অ্যাসেনশিয়াল অয়েলযুক্ত সুগন্ধি মোমবাতি নিরাপদ। যেসব মোমবাতি শতভাগ সয়াবিন, মৌ-মোম, নারকেল মোম দিয়ে তৈরি, অথবা যে মোমে প্যারাফিনের মতো ক্ষতিকারক উপাদান নেই, সেগুলো ব্যবহারে কোনো স্বাস্থ্যঝুঁকি নেই।

যেসব মোমবাতি শতভাগ সয়াবিন, মৌ-মোম, নারকেল মোম দিয়ে তৈরি, অথবা যে মোমে প্যারাফিনের মতো ক্ষতিকারক উপাদান নেই, সেগুলো ব্যবহারে কোনো স্বাস্থ্যঝুঁকি নেই।
যেসব মোমবাতি শতভাগ সয়াবিন, মৌ-মোম, নারকেল মোম দিয়ে তৈরি, অথবা যে মোমে প্যারাফিনের মতো ক্ষতিকারক উপাদান নেই, সেগুলো ব্যবহারে কোনো স্বাস্থ্যঝুঁকি নেই।

এখন জেনে নিন পাঁচ রকমের পরিবেশ ও স্বাস্থ্যবান্ধব মোমবাতির কথা—

প্রাকৃতিক মোম ও তেল দিয়ে তৈরি মোমবাতি: এ ধরনের মোমবাতি শতভাগ মৌ-মোম ও উদ্ভিজ্জ তেলের সংমিশ্রণে তৈরি। এগুলোর সলতে বানানো হয় তুলা থেকে। সুগন্ধি মোম তৈরিতে ব্যবহার করা হয় অ্যাসেনশিয়াল অয়েল। জ্বালানোর পর যাতে কালি তৈরি না হয়, সেজন্য সলতে ১/৪ ইঞ্চি পরিমাণে কেটে দিন এবং কাগজপত্র রয়েছে, এমন স্থানে এ মোমবাতি জ্বালাবেন না।

প্রাকৃতিক মোম ও তেল দিয়ে তৈরি মোমবাতি: : অর্গানিক নারকেল মোম, অর্গানিক মৌ-মোম, প্রাকৃতিক তুলার সলতে ও খাঁটি অ্যাসেনশিয়াল অয়েল মেশানো এ মোমবাতি জ্বলে ৪৫-৫০ ঘণ্টা অবধি!

সয়া মোম: খাঁটি সয়া মোম দিয়ে তৈরি মোমবাতি লম্বাকৃতির ও জারে উভয়ভাবেই পাওয়া যায়। বাথরুম ও শোয়ার ঘরে ব্যবহারের উপযোগী লেমনগ্রাস, তুলসী, ক্যারেনবেরি, মসলা ও নারকেলের সুগন্ধময় এ মোমবাতি।

নরম আলোয় আবেশিত হওয়ার ফাঁকে বড় রকমের রোগ যেন বাঁধিয়ে না বসেন।
নরম আলোয় আবেশিত হওয়ার ফাঁকে বড় রকমের রোগ যেন বাঁধিয়ে না বসেন।

প্রাকৃতিক সুগন্ধযুক্ত মোমবাতি: খাঁটি, প্রাকৃতিক ও সুগন্ধময় বলতে যা বোঝায়, এটি তাই। সয়াবিন থেকে তৈরি এ মোমবাতি কাচের জারে পাওয়া যায়। সুগন্ধ তৈরিতে ভারতীয় গুল্মবিশেষ পাচুলি ও চন্দন ব্যবহূত হয়।

মধু মোমবাতি: শতভাগ খাঁটি মৌ-মোম দিয়ে তৈরি এ মোমবাতি ছড়ায় উষ্ণ আলো। মধুর কোমল গন্ধশোভিত এ মোমবাতি বাতাস পরিষ্কার করে।

জেনে রাখুন: মোমবাতি কেনা বা জ্বালানোর আগে একটি সাদা কাগজের ওপর সলতে ঘষে দেখুন। যদি তা পেন্সিলের মতো ধূসর দাগ ফেলে, তাহলে বুঝতে হবে এর শেষাংশে সিসা যুক্ত রয়েছে। এমন হলে সে মোমবাতি কিনবেন না। কাজে লাগান, অনেক সমস্যার সমাধান পরিবেশ ও স্বাস্থ্যবান্ধব মোমবাতি। আর হ্যা সব সময় মোমবাতি হাতের কাছেই রাখুন।

সূত্রঃ বণিকবার্তা / চটপট ডট কম

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here