খাবারের গায়ে স্টিকার কেন দেয়া হয়?

0
298

খাবার সামনে পেলে কেই বা দেখতে যায় গায়ে কি লেখা আছে আর কেই বা জানতে চায় কেন কিছু লেখা আছে! খাবারের গায়ের স্টিকারের দিকে কে আর নজর রাখে। ফুজি আপেল, সুইট পটেটো, অ্যাভোকাডো, বেল পিপার্সের মতো বেশ কিছু খাবারের গায়ে বিশেষত বিদেশি খাবারের গায়ে স্টিকারে বিভিন্ন নম্বর দেখা যায়। বেশিরভাগ সময়ই আমরা সেই সমস্ত নাম্বারের মানে না জেনেই খাবার খেয়ে ফেলি। অথচ কোন সঙ্গত কারণেই কিন্তু এই স্টিকারগুলো দেয়া হয়।

জেনে নিন কী কী কারণে এই নাম্বারগুলো প্রডাক্টের গায়ে লেখা থাকেঃ

৩ বা ৪ দিয়ে কোনও প্রডাক্টের নাম্বার শুরু হলে বুঝতে হবে সেই খাবারগুলো বিতর্কিতভাবে তৈরি করা হয়েছে। অর্থাৎ এই প্রডাক্টগুলোতে তাড়াতাড়ি বড় করার জন্য এবং অনেক দিন ভাল রাখার জন্য হাই পাওয়ারের কোন কেমিক্যাল ব্যবহার করা হতে পারে। সুইট পটেটো, অ্যাভোকাডো, পেঁয়াজ, বাঁধাকপিতে এই ধরনের নাম্বার লাগানো থাকে। এ ধরণের খাবারের মান নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

৮ দিয়ে স্টিকারের নাম্বার শুরু হলে বুঝতে হবে সেই খাবারটি জেনেটিক্যালি মডিফায়েড। অর্থাৎ সেই খাবারটি প্রাকৃতিকভাবে তৈরি করা হয়নি। সেটি বিতর্কিত জিন প্রযুক্তির সাহায্যে তৈরি হয়েছে। এই ধরনের খাবার থেকে দূরে থাকাই ভাল বলে মনে করেন অনেক বিশেষজ্ঞ।Bananas-Side-by-Side

 

 

 

 

 

 

 

 

স্টিকারের নাম্বার ৯ দিয়ে শুরু হলে বুঝতে হবে সেই প্রডাক্টটি অর্গানিক ভাবে তৈরি হয়েছে। অর্থাৎ এই খাবার তৈরিতে কোনও রকম রাসায়নিক সার বা কীটনাশক পদার্থ ব্যবহার করা হয়নি। আপেল, শসা, কলা, বিল পিপার্সের গায়ে এই ধরনের স্টিকার থাকে। এ ধরণের খাবার খাওয়া বেশ নিরাপদ।

খাবাব্রের গায়ে যে স্টিকার থাকে তা থেকে অনেক সময় বোঝা যায় প্রোডাক্টটি কোন দেশ থেকে এসেছে। এ ধরণের স্টিকার সম্বলিত কোডকে প্লু কোড বলা হয়। ২০০৯ সালে ইউএসএ থেকে বাধ্যতামূলকভাবে খাবারের গায়ে প্লু কোড বা লেবেল লাগানোর নিয়ম জারি করা হয়।

কোড ডিকোড করা অনেকের কাছে নেশার মতো। এবার তাহলে খাওয়ার সময় খাবারের কোডগুলো ডিকোড করে আবিষ্কার করুন আপনি এবং আপনার পরিবারের সদস্যরা যা খাচ্ছেন তার মান কেমন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here