গুণে ভরা আনারস

0
314

মূলত বর্ষাকালীন ফল হলেও এখন প্রায় সারা বছরই দেখা মেলে এটির। বাজারে প্রচুর পরিমাণে পাওয়া যাচ্ছে আনারস। এর উপকারিতা, খাদ্য উপাদান ঔষধি গুণের কথা জানাতেই আমাদের আজকের এই আয়োজন।

নামে আনারস বা রসহীন হলেও ফলটি রসে ভরপুর, সুস্বাদু, তৃপ্তিকর এবং পুষ্টিগুণসমৃদ্ধ। পাকা আনারস শরীরের জন্য খুব ভালো। সতেজ আনারস দেহের জন্য উপকারী। আনারসের পাতায় থাকে স্টেরলস, ট্রাইটার্পিনস, আগোস্টেরল, পারঅক্সাইড, বিটাসিট স্টেরল, ক্যাম্পেস্টেরল ইত্যাদি। এর ফলে থাকে ফেনলিক এসিড, ভিটামিন এবি, সি ও নানা খনিজ উপাদান। আনারসের পাতার রস কৃমিনাশক, ফল জীবাণুনাশক, হজমশক্তি বৃদ্ধিকারক। আনারসের ভিটামিন ‘সি’ বর্ষা, ভ্যাপসা গরম ও স্যাঁতসেঁতে আবহাওয়ায় আমাদের দেহের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করে।Pineapple_1.jpgf642b62b-12e8-4c83-9787-718e99f65a2cOriginal

ওষধিগুণ

আনারসে ব্রমেলেইন নামক এক প্রকার রাসায়নিক উপাদান থাকে, যা মিউকাসকে তরল করে এবং হজমশক্তি বাড়িয়ে দেয়। তাছাড়া পাকস্থলির ক্ষুদ্রান্তের জীবাণু ধ্বংসের কাজ করে আনারস। মূত্রবর্ধক হিসেবে কাজ করে কিডনি সুস্থ রাখতে সাহায্য করে আনারস।

আনারসের পাতার নিচের সাদা অংশের রস ২-৩ চামচ করে প্রতিদিন সকালে তিনদিন খেলে কৃমি মরে যায়।

যারা শ্বাসনালীর রোগে ভুগছেন, তারা আনারস খেলে উপকার পাবেন।

যাদের ঘন ঘন সর্দি-কাশি হয় বা নাক দিয়ে পানি পড়ে তারা নিয়মিত আনারস খান সমস্যা কমে আসবে।

জ্বর হলে বা জ্বর সেরে যাওয়ার পর মুখের স্বাদ বা রুচি একেবারে কমে যায়, আনারস টুকরা করে চিবিয়ে খান জ্বর সারবে রুচিও বাড়বে।

বদহজম ও পেটফাঁপা হলে আনারস টুকরা করে তাতে লবণ ও গোলমরিচ গুঁড়া করে মিশিয়ে খান সমস্যা কমে যাবে।

কোষ্ঠকাঠিন্য বা শক্ত পায়খানা যাদের তারা আনারস খান।

আনারস দেহের গ্রন্থিগুলোকে সুস্থ সবল রাখে। থাইরয়েড গ্রন্থির স্ফীত হওয়ার সমস্যা প্রতিরোধ করে।

নারীদের জরায়ু ক্যান্সার, স্তন ক্যান্সার, চামড়ার ক্যান্সার প্রতিরোধে আনারস বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here