গ্রীষ্ম-বর্ষায় সাঁতরাই

গ্রীষ্ম-বর্ষায় সাঁতরাই
হাঁটু ব্যথা, কোমর ব্যথা, পায়ের সন্ধিতে সমস্যা বা স্নায়ুর সমস্যার জন্য হাঁটা বা দৌড়ানোর মতো ব্যায়াম যাঁদের নিষেধ, সাঁতার তাঁদের জন্য চমৎকার বিকল্প।

আর্টস্টাইল কিউরেটর 

সাঁতার দারুণ একটি ব্যায়াম। সপ্তাহে অন্তত তিন দিন ৩০ থেকে ৪৫ মিনিট সাঁতার কাটলে ডায়াবেটিস, উচ্চরক্তচাপ, স্ট্রোকসহ নানা রোগের ঝুঁকি কমে। গ্রীষ্ম-বর্ষার এই মৌসুমে সাঁতারে আনন্দও অনেক।  জেনে নিন সাঁতারের উপকারিতা এবং দরকারি তথ্য:   
  • সাঁতারে ওজন কমে।  এতে শরীরের প্রায় প্রতিটি মাংসপেশির ব্যবহার হয়, শক্তিও বাড়ে।  হৃৎপিণ্ড ও ফুসফুসের কার্যক্ষমতা বাড়ে।
  • সাঁতার কাটলে মনও সতেজ থাকে, বিষন্নতা দূর হয়।  হাঁটু ব্যথা, কোমর ব্যথা, পায়ের সন্ধিতে সমস্যা বা স্নায়ুর সমস্যার জন্য হাঁটা বা দৌড়ানোর মতো ব্যায়াম যাঁদের নিষেধ, সাঁতার তাঁদের জন্য চমৎকার বিকল্প।  কারণ, এই ব্যায়ামে শরীরের ওজন বহন করতে হয় না।
  • পানিতে নামার আগে জেনে নিন সেই পানি কতটা স্বাস্থ্যসম্মত।  সুইমিংপুলে নামার আগে ও পরে গোসল করে নেওয়া উচিত।  সাঁতারের উপযোগী পোশাক, টুপি ও চশমা ব্যবহার করুন। কানে পানি না ঢোকার জন্য প্লাগ ব্যবহার করা যায়।
  • শরীরের কোনো অংশ অবশ হয়ে গেলেও সাঁতার কাটা যায়।  এ ক্ষেত্রে প্রয়োজন অনুযায়ী গোল টায়ার বা লম্বা ভাসমান তক্তার মতো কোনো বিশেষ অনুষঙ্গের সাহায্য নিতে হবে।  পিঠ বেঁকে যাওয়া রোগী বা বাতজনিত সমস্যায় আক্রান্ত ব্যক্তিরাও বিভিন্ন রকম অনুষঙ্গের সহায়তায় সাঁতার কাটতে পারেন।
  • সাঁতারের সময় হঠাৎ করে পায়ে ব্যথা হলে যত দ্রুত সম্ভব বিশ্রাম নিন।  তারপর পা টান টান করতে চেষ্টা করুন।  ভরা পেটে সাঁতার না কাটাই ভালো।  খালি পেটে বা খাওয়ার ঘণ্টা দু-এক পর সাঁতার কাটবেন।
  •  সাঁতারের অভ্যাস করার প্রথম দিকে ১০-১৫ মিনিট করে সাঁতার কাটা উচিত, ধীরে ধীরে সময় বাড়ান। হাঁপানি, ফুসফুসের কোনো রোগ, হৃদ্রোগ বা উচ্চরক্তচাপে আক্রান্ত ব্যক্তি সাঁতার কাটতে চাইলে আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।  হাঁপানি রোগীদের ধারে-কাছে ইনহেলার রাখা ভালো।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here