চোখেরও কিছু ব্যায়াম আছে

চোখেরও কিছু ব্যায়াম আছে
প্রতি ২০ মিনিট পর পর ২০ সেকেন্ড চোখের বিশ্রাম জরুরি।

আর্টস্টাইল কিউরেটর  

শরীর সুস্থ রাখার জন্য কত কিছুই না করি আমরা। সাঁতার কাটা, হাঁটা, জগিংসহ আরও কত-কী। কিন্তু চোখ ভালো রাখতে ব্যায়াম! এটি শুনে চোখ কপালে তোলার দরকার নেই। কেননা, বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে দৃষ্টিশক্তি ক্রমান্বয়ে কমতে থাকে। অতি সম্প্রতি গবেষণায় দেখা গেছে, শরীরচর্চার পাশাপাশি চোখের নিয়মিত যত্ন নিলে ‘ম্যাকুলার ডিজেনারেশন’ নামের চোখের মারাত্মক অসুখ প্রতিরোধ করা যায়।

এ বিষয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজের চক্ষুবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক মো. মোস্তাক আহাম্মদ বলেন, বই পড়া, লেখালেখি কিংবা দীর্ঘক্ষণ কম্পিউটারে কাজ করার সময় চোখের ওপর চাপ পড়ে। তাই প্রতি ২০ মিনিট পর পর ২০ সেকেন্ড চোখের বিশ্রাম জরুরি। এ ছাড়া কম্পিউটারের স্ক্রিনের রং সাদা কিংবা সবুজ রাখা ভালো। যাঁরা শীতাতপনিয়ন্ত্রিত ঘরে কাজ করেন, তাঁদের প্রতি আধা ঘণ্টা পর পর চোখ পিটপিট করার পরামর্শ দেন। এতে চোখের শুষ্কতা দূর হয়।

কাজের ফাঁকে ফাঁকে চোখের কিছু ব্যায়াম আছে, যেগুলোর নিয়মিত চর্চায় দৃষ্টিশক্তি প্রখর হবে। এগুলো হলো—

চোখের পেশির রক্তসরবরাহ সচল রাখাতে দুই হাতের তালু কয়েক মিনিট ঘষে আলতোভাবে হাতের তালু দিয়ে আলাদা করে চোখ বন্ধ রাখুন পাঁচ সেকেন্ড। ধীরে ধীরে নিঃশ্বাস নিতে থাকুন। এতে চোখের বিশ্রাম ও হবে।
চোখের মণি বৃত্তাকারে চারপাশে ঘোরাতে চেষ্টা করুন। প্রথমে ওপরের দিকে তাকান, তারপর ঘড়ির কাঁটা যেদিকে ঘোরে, সেদিকে ১০ সেকেন্ড এবং বিপরীত দিকে আরও ১০ সেকেন্ড ধীরে ধীরে ঘোরান। এতে চোখের ক্লান্তি দূর হবে; চোখের পেশিও শক্তিশালী হবে।

এক হাত দূরে একটি কলম নিয়ে সোজা কলমটির দিকে তাকিয়ে থাকুন। তারপর ধীরে ধীরে কলমটিকে কাছাকাছি নিয়ে আসেন, যতক্ষণ পর্যন্ত না কলমটিকে ঘোলাটে দেখা যায়। এরপর আবারও কলমটিকে ধীরে ধীরে কাছে থেকে দূরে নিয়ে যান। খেয়াল রাখুন, চোখের দৃষ্টি যেন কলমের দিকে থাকে।
ঘুম চোখকে পরিপূণ বিশ্রাম ও পুনর্দৃষ্টির জন্য শক্তি দেয়। অপর্যাপ্ত ঘুম দৃষ্টিশক্তির ব্যাঘাত ঘটাতে পারে। চোখের সুরক্ষার জন্য প্রতিদিন আট ঘণ্টা ঘুমানো উচিত।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here