ঝলসানো রোদের ট্যান থেকে বাঁচুন

ঝলসানো রোদের ট্যান থেকে বাঁচুন
নিয়মিত নিমপাতার সঙ্গে কাঁচা হলুদ পেস্ট করে মুখে মাখলে ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি পাবে। স্কিনের টোন ঠিক থাকবে।

মেরী খান

বাতাসে উষ্ণতা বাড়ছে। এর প্রভাব পড়ছে ত্বকেও। এমন সময় ঝলসানো রোদে ট্যান হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। কিন্তু বাইরে তো বেরোতেই হবে। এ সময়ে বেশি পরিমাণে পানি ও ফল খাওয়া ভালো। পাশাপাশি, সপ্তাহে অন্তত দুবার মুখে ফেসপ্যাক লাগান। আর ভেষজ উপাদান ব্যবহার করুন। প্রাকৃতিক উপায়ে ত্বকের যত্ন নিন। সুস্থ থাকবেন।

এখানে রোদের ট্যান থেকে মুক্তি পাওয়ার ১০টি ঘরোয়া টোটকা রইল     

১) শশা, গোলাপ জল এবং পাতি লেবুর রস দিয়ে প্যাক তৈরি করুন। তৈলাক্ত ত্বকের জন্য শশা খুব ভালো কাজ করে। ত্বক পরিষ্কার করার জন্য শশা ও পাতি লেবুর রস বেশ ভালো। পাশাপাশি গোলাপ জল ত্বক সতেজ রাখে। এই তিনের মিশ্রণ করে আধা ঘণ্টা রেখে দিন। পরে মুখে ও ঘাড়ে মিশ্রণটি ভালো করে মাখুন। ২০ মিনিট রাখুন। ধুয়ে রোদে বেড়িয়ে পড়ুন।

২) কাঁচা হলুদ, বেসন এবং পাতি লেবুর রস মিশিয়ে প্যাক বানান। শুষ্ক ত্বক উজ্জ্বল ও সতেজ করতে এবং ট্যান থেকে মুক্তি পেতে কাঁচা হলুদ, বেসন, পাতি লেবুর রস একসঙ্গে মিশিয়ে মুখে মাখুন। আধ ঘন্টা রাখুন। এ টোটকাটি খুবই উপকারী।

৩)চন্দন গুড়ো, কাঁচা হলুদ ও কমলা লেবুর রস দিয়ে প্যাক তৈরি করুন। কাঁচা হলুদ, চন্দন গুড়ো ও কমলা লেবুর রসের মাস্ক বানিয়ে মুখে লাগান। ত্বকের তৈলাক্ততা কমবে। মিশ্রণটি ভাল কাজ করে টোনার হিসেবেও।

৪) তরমুজের রস এবং টক দই মিশিয়ে প্যাক বানান। নমনীয় ত্বকের জন্য তরমুজের রস ও টক দই একসঙ্গে মিশিয়ে নিন। এবার এই প্যাকটি মুখে মাখুন। ১০-১৫ মিনিট রাখুন। ঠান্ডা পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন।

৫) পেঁপে ও মধুর প্যাক করুন। মধু ত্বকে লাবণ্য ধরে রাখে। ত্বক স্বাভাবিক থাকলে সমস্যাও কম হয়। মুখের ত্বক পরিষ্কার করার জন্য এবং ঝলসানো রোদে ট্যান থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য মধু ও পাকা পেঁপের পেস্ট বানান। মুখে মাখুন। ২০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন।

৬) অ্যালোভেরা, মুসুর ডাল এবং টমেটো দিয়ে ফেসপ্যাক বানান। অ্যালোভেরা, মুসুর ডাল এবং টমেটো পেস্ট করে মুখে মাখুন। ২0-২৫ মিনিট রাখুন। পরিস্কার পনি দিয়ে মুখ ধুয়ে নিন। এতে ত্বক আরও উজ্জ্বল হবে।

৭) আঙুর ও মধু প্যাক করুন। সব ধরনের ত্বকের জন্য আঙুরের রস উপকারী। কয়েকটি আঙুর হাতে নিয়ে নরম করে পেস্ট করুন। সারা মুখে মিনিট খানেক ধরে ঘষুন। কিছুক্ষণ রেখে ধুয়ে ফেলুন। একেবারেই প্রাকৃতিক ফেসওয়াশের কাজ করবে। এছাড়া আঙুর ও মধুর পেস্ট বানান। মুখে লাগান। ১৫ মিনিট রাখুন। শুকিয়ে গেলে ধুয়ে ফেলুন। ত্বক উজ্জ্বল হবে।

৮) দইয়ের মাস্ক বানান। শশার রস, এক কাপ ওটমিল ও এক টেবিল চামচ দই একসঙ্গে মিশিয়ে ঘন মিশ্রণ তৈরি করুন। এবার এই মিশ্রণটা পুরো মুখে মেখে নিন। ৩০ মিনিট পর হালকা গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

৯) ডিমের মাস্ক বানান। একটা ডিমের সাদা অংশের সঙ্গে অর্ধেক লেবুর রস মিশিয়ে পেস্ট করুন। মিশ্রণটা মুখে লাগান। ২০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন।

১০) নিমপাতা, কাঁচা হলুদের পেস্ট বানান। নিয়মিত নিমপাতার সঙ্গে কাঁচা হলুদ পেস্ট করে মুখে মাখলে ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি পাবে। স্কিনের টোন ঠিক থাকবে। পাশাপাশি মিশ্রণটি খুব ভাল টোনারের কাজ করে। চুলকানি কমানোর জন্য নিমপাতা বেটে ত্বকে মাখুন। নিমের তেলে প্রচুর ভিটামিন ই এবং ফ্যাটি অ্যাসিড থাকে, যা ত্বক ও চুলের জন্য ভালো।

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here