টেডি ডের টেডি বিয়ার কিভাবে এল?

0
950
রোজ ডে, প্রপোজ ডে, চকোলেট ডের পর আজ টেডি ডে

চলছে ভ্যালেন্টাইন সপ্তাহ। রোজ ডে, প্রপোজ ডে, চকোলেট ডের পর আজ টেডি ডে। ভালবাসার উপহার হিসেবে দারুণ জনপ্রিয় টেডি বেয়ার। প্রেমিক-প্রেমিকাকে উপহার দিলে যেমন উষ্ণতা বা়ড়ে সম্পর্কে, তেমনই উপহার হিসেবে শিশুদেরও দারুণ পছন্দ এই পুতুলটি। বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় এই সফট টয়ের জন্মের পিছনে রয়েছে এক দারুণ গল্প। কী ভাবে জন্ম হল টেডি বেয়ারের? জানতে হলে পড়তে হবে পুরো লেখাটি।

১৯০২ সালের নভেম্বর মাসে মিসিসিপিতে শিকারে বেরিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট থিওডর রুজভেল্ট। মিসিসিপি ও লুসিয়ানিয়ার সীমান্ত সমস্যা নিয়ে তখন জর্জরিত তিনি। অনেকক্ষণ খুঁজেও সে দিন ভাল শিকার পাননি রুজভেল্ট। এ দিকে শিকারের জন্য নিশপিশ করছে তার হাত ও রাইফেলেন ডগা।

প্রেসিডেন্টকে খুশি করতে তাঁর সঙ্গী-সাথীরা ধরে আনেন এক লুসিয়ানিয়া কালো ভাল্লুক ছানা। কিন্তু উইলো গাছের গুঁড়িতে বেঁধে রাখা ভাল্লুক ছানার উপর গুলি চালাতে মন চায়নি রুজভেল্টের। ছোট্ট ছানাটিকে ছেড়ে দেন তিনি।

‘ড্রইং দ্য লাইন ইন মিসিসিপি’ কার্টুনে এই গল্প তুলে ধরেন ওয়াশিংটন স্টার কার্টুনিস্ট ক্লিফর্ড বেরিম্যান।
‘ড্রইং দ্য লাইন ইন মিসিসিপি’ কার্টুনে এই গল্প তুলে ধরেন ওয়াশিংটন স্টার কার্টুনিস্ট ক্লিফর্ড বেরিম্যান।

‘ড্রইং দ্য লাইন ইন মিসিসিপি’ কার্টুনে এই গল্প তুলে ধরেন ওয়াশিংটন স্টার কার্টুনিস্ট ক্লিফর্ড বেরিম্যান। ছবিতে তিনি আঁকেন টেডি রুজভেল্ট রাইফেল হাতে দাঁড়িয়ে রয়েছেন আর তাঁর পিছনে রয়েছে ছোট্ট এক ভাল্লুক ছানা।

এই কার্টুন দেখে অনুপ্রাণিত হয়েছিলেন ব্রুকলিনের খেলনার দোকানের মালিক মরিস মিচম। তিনি বানিয়ে ফেলেন মিষ্টি এক টেডি বেয়ার। তবে তা বিক্রি করার কোনও উদ্দেশ্য ছিল না তাঁর। দোকানের জানলার পাশে সাজিয়ে রাখেন টেডি। পাশে বেরিম্যানের আঁকা কার্টুনের কপি।

মিচমকে অবাক করে দিয়ে খদ্দেররা দোকানে ঢুকেই কিনতে চান টেডি বিয়ারটি। বাকিটা তো এখন শুধুই ইতিহাস।

তথ্যসূত্রঃ এনপিএস ডট গভ

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here