ত্বক মসৃণ করতে নিয়ম মেনে শেভ করুন

ত্বক মসৃণ করতে নিয়ম মেনে শেভ করুন
কখনো দাড়ির বিপরীতে শেভ করবেন না। শুরু থেকেই দাড়ির দিক অনুযায়ী শেভ করবেন।

আর্টস্টাইল কিউরেটর    

শেভ করছেন। ভুল নিয়মে করছেন না তো? শেভিংয়ের সময় নিয়ম মেনে কিছু সতর্কতা অবলম্বন করুন। তাহলেই ত্বক থাকবে নরম ও স্বাভাবিক।

১) যাদের ঘন দাড়ি বা অনেক সময় দাড়ি বড় হওয়ার কারনে সাধারণ রেজারে এক টানে কাটা সম্ভব হয় না। ফলে একই স্থানে বারবার টান দিতে হয়। এতে করে ত্বকের ক্ষতি হয়। তাই প্রথমেই আপনি ট্রিমার দিয়ে যতটা সম্ভব কেটে নিন।

২) শেভ করার আগে অবশ্যই ভালো ভাবে মুখ ধুয়ে নিন। প্রয়োজনে শুধু পানি না, মুখ পরিষ্কার বা ময়লা দূর করার জন্য ক্লিনজার অথবা, শেভ এক্সফোলিয়েটিং স্ক্রা ব্যবহার করুন। এতে করে ত্বক থাকবে মসৃণ।

৩) শেভিংয়ের পূর্বে অবশ্যই প্রি-শেভ ওয়েল মুখে লাগিয়ে নিন। তার পর শেভিং ক্রিম লাগান।

বর্তমান সময়ে অনেকেই ফোম দিয়ে শেভ করান। ফোম ত্বককে বেশি খসখসে করে তোলে। আর তাই একটু বেশি পরিমাণে জেল অথবা ব্রাশের মাথায় ক্রিম লাগিয়ে নিয়ে হালকা করে গালে মাখিয়ে শেভ করবেন।

৪) দাড়ি নরম করার জন্য জেল অথবা, ক্রিম মাখিয়ে অন্তত ৩ মিনিট অপেক্ষা করুন। যাতে ক্রিমের মধ্য থাকা তৈলাক্ত পদার্থটিকে ত্বক ভালো ভাবে শুষে নিতে পারে। এবং দাড়ি কাটতে সুবিধা হয়।

৫) কখনো দাড়ির বিপরীতে শেভ করবেন না। শুরু থেকেই দাড়ির দিক অনুযায়ী শেভ করবেন। ব্লেড বেশি পুরনো কি না সে দিকে খেয়াল রাখুন। বাজারে এখন কম টাকায় সস্তা ব্লেডের ছড়াছড়ি। এই সব ব্লেডে অনায়াসে শেভ করা গেলেও ত্বকের উপর চাপ পড়ে। অন্যদিকে ভালো রেজার দিয়ে একাধিক বার শেভ করতে পারবেন। তবে সে ক্ষেত্রে শেভিংয়ের পর ব্যবহার করা রেজারটি ভালো ভাবে ধুয়ে পানি শুকিয়ে রাখুন।

৬) শেভের পর মুখে আফটার শেভ হিসাবে ময়েশ্চারাইজার বা রিহাইড্রেট ব্যবহার করতে পারেন। আফটার শেভের পণ্যগুলোতে অ্যালকোহল জাতীয় পদার্থ থাকে যা ত্বকের চোষক হিসাবে কাজ করে।

৭) আফটার শেভের পর অনেক সময় ত্বকে জ্বালা-পোড়া ধরে। এর কারণ রেজার বাম্প। এই রকমটা হলে আফটার শেভ হিসাবে ময়েশ্চারাইজার বা রিহাইড্রেট ব্যবহার না করে আফটার শেভ বাম ব্যবহার করুন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here