দেখা পাবেন কখন

দেশ-বিদেশের নামকরা পাখি গবেষকরা এতে অংশগ্রহণ করেন।

শীতকালে অর্থাৎ নভেম্বর থেকে জানুয়ারির মধ্যে অতিথি পাখি আসে। মার্চের শেষ দিকে ফিরে যায় আপন ঠিকানায়। সাধারণত হিমালয়ের উত্তরের দেশ সাইবেরিয়া, চীন, মঙ্গোলিয়া ও নেপালে এ সময়ে প্রচুর তুষারপাত হয়। এমন পরিবেশে এসব পাখি টিকতে না পেরে বাংলাদেশের মতো নাতিশীতোষ্ণ অঞ্চলে চলে আসে। প্রাণীবিদ্যা বিভাগের জরিপ সূত্রে জানা যায়, ১৯৮৬ সালে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম অতিথি পাখি আসে। সে সময় ৯০ প্রজাতির অতিথি পাখি দেখা যায়। বর্তমানে এ ক্যাম্পাসে ১৯৫ প্রজাতির পাখি আছে, যার মধ্যে ১২৬টি দেশীয় এবং ৬৯টি অতিথি পাখি। এবার দুই ধরনের পাখির সমাগম বেশি ঘটেছে। এক ধরনের পাখি ডাঙায় বা শুকনা স্থানে থাকে। আরেক ধরনের পাখি পানিতে থাকে। এগুলো বেশির ভাগই হাঁসজাতীয়। এ ক্যাম্পাসে যেসব পাখি আসে, তার মধ্যে ৯৮ শতাংশই ছোট সরালি। আর বাকি ২ শতাংশ অন্য প্রজাতির পাখি। এর মধ্যে রয়েছে বড় সরালি, ল্যাঞ্জা হাঁস, খুন্তে হাঁস, ভূতি হাঁস ও ঝুঁটি হাঁস ইত্যাদি।

পাখি মেলা ২০১৭

প্রতিবারের মতো এবারো পাখি সংরক্ষণে গণসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ‘পাখ-পাখালি দেশের রত্ন, আসুন সবাই করি যত্ন’ স্লোগানে আগামী ৬ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে পাখি মেলা ২০১৭। ধারাবাহিকভাবে ২০০১ সাল থেকে এ মেলার আয়োজন করে আসছে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণীবিদ্যা বিভাগ ও ওয়াইল্ড লাইফ রেসকিউ সেন্টার। এ মেলায় পাখি নিয়ে বিভিন্ন খেলা, প্রতিযোগিতা, বিতর্ক প্রতিযোগিতা এবং বিভিন্নভাবে পাখি উপস্থাপন করা হয়। থাকে পুরস্কারের ব্যবস্থা, সভা-সেমিনারও। দেশ-বিদেশের নামকরা পাখি গবেষকরা এতে অংশগ্রহণ করেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here