পায়ের দুর্গন্ধ শীতে

জুতা ও মোজা নিয়মিত না পরিষ্কার করলেও পা ও জুতা থেকে দুর্গন্ধ ছড়াতে পারে।

শীতে আসলে অনেকেরই হাত-পা ঘামে। ফলে পোহতে হয় নানা দুর্ভোগ। আবার পা ঘেমে যাওয়ার কারনে এ থেকে সৃষ্টি হয় দুর্গন্ধ। এ নিয়েও বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়তে হয় অনেককে। জুতো খোলার ভয়ে কোথাও গিয়ে ঘরে না ঢুকেই হয়ত নানা অযুহাতে ফিরে আসতে হয়।

হাত-পা ঘামার কারণ:

হাত-পা কেন ঘামে তার সুনির্দিষ্ট কারণ এখনো বের করা যায়নি। তবে বংশগতভাবে এ রোগ থাকা, শরীরের ভেতরের ভারসাম্যহীনতা, হরমোনের সমস্যা, মানসিক চাপ, দুশ্চিন্তা প্রভৃতি কারনে হাত-পা ঘামতে পারে।

পায়ে দুর্গন্ধের কারণ:

পায়ের দুর্গন্ধের প্রধান কারণ পায়ের ঘাম। ঘেমে যাওয়া পায়ে ব্যাকটেরিয়া আক্রমণ করে। এ ছাড়া বেশির ভাগ ক্ষেত্রে জুতার ভেতর থেকে ঘাম বেরোতে পারে না। অনেকক্ষণ এমন অবস্থায় থাকার ফলে পা থেকে দুর্গন্ধ ছড়ায়। এছাড়া জুতা ও মোজা নিয়মিত না পরিষ্কার করলেও পা ও জুতা থেকে দুর্গন্ধ ছড়াতে পারে।

হোমিওপ্যাথি ও অ্যালোপ্যাথি দুই চিকিৎসা পদ্ধতিতেই এ সমস্যার সমাধান আছে। তবে হোমিওপ্যাথি চিকিৎসকদের মতে একমাত্র হোমিও চিকিৎসায়ই এ রোগ শতভাগ নির্মূল করা সম্ভব।

বাইরে থেকে এসে পায়ে শ্যাম্পু লাগিয়ে কিছুক্ষণ রেখে পরিষ্কার করে শুকনো তোয়ালে দিয়ে পা মুছে ফেলতে হবে।
বাইরে থেকে এসে পায়ে শ্যাম্পু লাগিয়ে কিছুক্ষণ রেখে পরিষ্কার করে শুকনো তোয়ালে দিয়ে পা মুছে ফেলতে হবে।

রোধ করার উপায়ৎ:

*সব সময় পা পরিষ্কার রাখতে হবে।

*বাইরে থেকে এসে পায়ে শ্যাম্পু লাগিয়ে কিছুক্ষণ রেখে পরিষ্কার করে শুকনো তোয়ালে দিয়ে পা মুছে ফেলতে হবে।

*প্রতিদিন ব্যবহার করা মোজা ধুয়ে ভালোভাবে শুকিয়ে ব্যবহার করতে হবে।

*জুতা পরিষ্কার-পরিছন্ন রাখতে হবে।

*জুতার মধ্যে মাঝেমধ্যে পাউডার দিতে পারেন।

*মাঝেমধ্যে জুতা রোদে দিয়ে ভালোভাবে শুকিয়ে নেবেন।

*সুতি মোজা ব্যবহার করাই ভালো কারণ এতে পা কম ঘামে ও ঘাম শোষণ করে।

*আজকাল বাণিজ্যিক ভিত্তিতে কিছু পায়ের দূর্গন্ধ নিরোধক পাউডার পাওয়া যায়, এগুলো ব্যবহার করতে পারেন।

*এজন্য কোন ওষুধ খাবার দরকার হয় না।

*তবে যদি শীত-গ্রীষ্ম যেকোন ঋতুতে হাত-পা ঘামতে থাকে তবে হরমোন বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতে হবে।

তথ্যসূত্র: জামান হোমিও হল

 

 

1 COMMENT

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here