ভাতের সঙ্গে খান দই

দই স্বাস্থ্যের জন্য বেশ উপকারী। অনেকেই দইয়ের সাথে মিলিয়ে চিড়া খান। শরীর সুস্থ রাখতে দই-চিড়া বেশ সহায়ক। দই-চিড়ার মতো ভাতের সঙ্গেও চাইলে দই মিশিয়ে খেতে পারেন। এভাবে খেলেও উপকার পাওয়া যাবে। শরীরও থাকবে সুস্থ। বিশেষ করে দুপুরে খেতে পারেন এক বাটি দই-ভাত। এটি যেমন শক্তি যোগাবে তেমনি শরীর ঠাণ্ডা রাখবে। ভাতের সঙ্গে দইয়ের পাশাপাশি কলা অথবা ফল মিশিয়েও খেতে পারেন। এসবেও পাবেন উপকার।

দই-ভাত কী কী উপরকার হয় শরীরের?

হজমের সমস্যা দূর হবে: দই-ভাত একসঙ্গে খেলে হজমের গণ্ডগোল দূর হয়। দইয়ে উপস্থিত উপকারি ব্যাকটেরিয়া শরীরে প্রবেশ করা মাত্রা তা ধীরে ধীরে হজম ক্ষমতার উন্নতি ঘটাতে থাকে। সেই সঙ্গে দূর হয় কোষ্ঠকাঠিন্য।

শরীর ঠাণ্ডা থাকবে: গরমে নিয়মিত দই-চিড়া অথবা দই-ভাত খেলে ঠাণ্ডা থাকে শরীর। দইয়ে রয়েছে তাপবিরোধী উপাদান, যা নিমেষেই তাপদাহকে নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসে।

কর্মক্ষমতা বাড়বে: দইয়ে উপস্থিত প্রোবায়োটিকস, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং উপকারি ফ্যাট মস্তিষ্কে কিছু পরিবর্তন এনে মানসিক চাপ কমায় ও এনার্জি বাড়ায়। ফলে কর্মক্ষমতা বাড়ে।

রাখা যাবে ওজন নিয়ন্ত্রণ: পুষ্টিকর দইয়ের সঙ্গে ভাত মিশিয়ে খেলে অনেকক্ষণ পর্যন্ত ভরে থাকে পেট। তাই অতিরিক্ত মেদ নিয়ে যারা চিন্তায় আছেন তারা নির্দ্বিধায় ডায়েট চার্টে রাখতে পারেন দই-ভাত।

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়বে: অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে পরিপূর্ণ দই-ভাত নিয়মিত খেলে বাড়ে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা। ফলে স্বাভাবিকভাবেই নানাবিধ সংক্রমণের আশংকা কমে যায়।

মিটবে পুষ্টির চাহিদা: দইয়ে রয়েছে ক্যালসিয়াম, উপকারি ফ্যাটসহ বিভিন্ন পুষ্টি উপাদান। অন্যদিকে ভাত থেকে পাওয়া যায় পর্যাপ্ত কার্বোহাইড্রেট। ফলে দই ও ভাত একসঙ্গে খেলে পূরণ হয় শরীরের বেশকিছু পুষ্টির চাহিদা।

তথ্যসূত্র: বোল্ডস্কাই ও পিন্টারেস্ট

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here