শাহরুখ যে কারণে ভিলেন হয়েছিলেন

ভিলেনের চরিত্রে শাহরুখ

তখন সদ্য ইন্ডাস্ট্রিতে পা দিয়েছেন তিনি। ‘দিওয়ানা’ ছবিতে নায়ক হিসেবে বেশ খ্যাতিও পেয়েছেন। কিন্তু তারপরই বেছে নিয়েছিলেন একেবারে নেগেটিভ হিরোর ভূমিকা। সিদ্ধান্ত যে ভুল ছিল না তা প্রমাণিত। কেননা বাকিটা বলিউডের ইতিহাস। ‘ডর’ ও ‘বাজিগর’ই হিন্দি ছবির মাটিতে অভিনেতা শাহরুখকে এক লহমায় প্রতিষ্ঠা দিয়েছিল। কিন্তু কেন এ দু’টো চরিত্র বেছে নিয়েছিলেন তিনি?

এতদিন পেরিয়ে গেলেও সে নিয়ে বিশেষ মুখ খোলেননি বলি-বাদশা। এতদিনে তো তিনি বলিপাড়ায় সুপারস্টার হয়ে গিয়েছেন। রোম্যান্টিক নায়ক হিসেবে অদ্বিতীয় হয়ে উঠেছেন। কিন্তু আশ্চর্য, সেই নায়ক হয়ে ওঠার গোড়ায় তিনি ভিলেনই ছিলেন। এমনকী সেই সময় বলিপাড়ার অন্যান্য নায়করা এ চরিত্রে অভিনয় করতে চাননি। ঝুঁকি নিয়েছিলেন শাহরুখ৷ কেন নিয়েছিলেন? তবে কি অভিনেতা হিসেবে তার আত্মবিশ্বাসই তাকে এই চরিত্র বেছে নিতে সাহায্য করেছিল? শাহরুখ বলছেন, না। ঠিক তা নয়। আসলে আত্মবিশ্বাসের অভাবই তাঁকে এই চরিত্র নিতে বাধ্য করেছিল। তবে তা অভিনয় নিয়ে নয়, তা তাঁর লুক নিয়ে। শাহরুখ মনে করতেন না যে, তার চেহারা নায়কের মতো। এমনকী তাকে এক পরিচালক এ কথা বলেওছিলেন।

বলেছিলেন, তিনি এতটাই সাধারণ দেখতে যে, যে কোনও চরিত্রের জন্যই তাকে নেওয়া যায়। ফলে শাহরুখ ভেবেছিলেন নায়ক না হয়, তো ভিলেনই সই। কেননা তিনি অমিতাভ বা ঋষি কাপুর হওয়ার পথে দৌড়াননি। তারা ছিলেন সেই সময়ের প্রতিষ্ঠিত বিখ্যাত নায়ক। এমনকী আমির ও সালমান হওয়ার কথাও ভাবেননি।

শাহরুখ খান
শাহরুখ খান

তারাও সে সময় চুটিয়ে কাজ করছেন। তাই নায়ক নয়, শাহরুখ শুধু অভিনয় করতে চেয়েছিলেন। কেননা লুক যাই হোক, তিনি অভিনয়টা করতে জানেন। আর তাই যেনতেন প্রকারে অভিনয়টা করে যেতে চাইছিলেন। আর তাই ভিলেনের চরিত্র হলেও তিনি তা করতে রাজি হয়েছিলেন। বাকিটা তো ইতিহাস।

খলনায়ক থেকে কী করে বলিপাড়ার অদ্বিতীয় নায়ক হয়ে ওঠা যায় তা দেখিয়ে দিয়েছেন বলি-বাদশা।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here