শীতকালে শিশুর নিউমোনিয়া?

0
329
এই সময়ে নিউমোনিয়া প্রিয় শিশুটির জন্য বয়ে আনতে পারে মারাত্মক স্বাস্থ্য ঝুকি

শীতের প্রকোপ বাড়ার সাথে সাথে, নানা রকম শীতকালীন রোগও বেড়ে চলছে। তবে সবচেয়ে নাজুক অবস্থায় আছে ছোট্টশিশুটি। এই সময়ে নিউমোনিয়া প্রিয় শিশুটির জন্য বয়ে আনতে পারে মারাত্মক স্বাস্থ্য ঝুকি। আসুন রোগটির প্রতিকার সম্বন্ধে জেনে নিয়ে আগেই সতর্ক থাকি।

লক্ষণ:
দ্রুত শ্বাস-প্রশ্বাস, নবজাতকের ক্ষেত্রে >৬০ বার/ মিনিট; ১ বছরের মধ্যের বাচ্চাদের ক্ষেত্রে >৫০ বার/ মিনিট এবং ১-৩ বছরের ক্ষেত্রে >৪০ বার/মিনিটকে আমরা দ্রুত শ্বাস-প্রশ্বাস বলব।

  • বুকের খাঁচার নিচে দেবে যাবে
  • নাকের ডগা ফুলে যাওয়া শ্বাসের সঙ্গে সঙ্গে।
  • গায়ের তাপমাত্রার উর্ধগতি এমনকি ১০৪ ডিগ্রী ফারেনহাইটে উপনীত হতে পারে।
  • বাচ্চার চেহারাতে একটি কানত্মি ও অসুস্থতার ভাব প্রকট থাকে।
  • কাশি: রাত্রিকালীন কাশের প্রকোপ বেশি হতে পারে এবং সকাল ভোরের দিকে।
  • কফ: ছোট্ট বাচ্চাদের ক্ষেত্রে কফ নাও বের হতে পারে।
  • বুকে ঘড় ঘড় আওয়াজ পাওয়া যেতে পারে।
  • এই সব শিশুদের ক্ষেত্রে সাধারণত স্ট্রেপটো কক্কাস, হিমোফিলাস ইনফুয়েঞ্জি ও স্টাফাইলো কক্কাস
  • রোগের জীবাণু দ্বারা আক্রান্তের সংখ্যাই বেশি। কিছু ভাইরাসও জড়িত থাকতে পারে।

এক্ষেত্রে যা করবেন:

বাচ্চার যদি খুব শ্বাসকষ্ট থাকে তাহলে হাসপাতালে নেওয়াই ভাল
বাচ্চার যদি খুব শ্বাসকষ্ট থাকে তাহলে হাসপাতালে নেওয়াই ভাল

বাচ্চার যদি খুব শ্বাসকষ্ট থাকে তাহলে হাসপাতালে নেওয়াই ভাল। তিন মাসের নিচে বাচ্চাদের ক্ষেত্রে কিংবা শিশুর শরীর যদি বারে বারে নীল হয়ে আসে তাদের হাসপাতলে ভর্তি করতে হবে। অথবা আপনি আপনার পারিবারিক শিশু চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
তবে যদি শ্বাসকষ্ট অতটা না থাকে তাহলে বাসায় চিকিৎসা করা যেতে পারে।

বাড়িতে চিকিৎসার ক্ষেত্রে:

  • বাচ্চার জ্বর কমাতে সিরাপ প্যারাসিটামল ব্যবহার করুন। ওজন অনুযায়ী ১৫ মি.গ্রা./কেজি/ প্রতিবার সেবনে। দিনে ৪ বার উর্ধ্বে ৬ বার পর্যন্ত ব্যবহার করতে পারেন। প্যারাসিটামল দেয়ার আধ ঘণ্টা পর কুসুম গরম পানি দিয়ে গা-হাত, পা-মাথা মুছিয়ে দিন আধা ঘণ্টা ধরে।
  • প্রয়োজনে এন্টিবায়োটিক ব্যবহার করতে হবে, তবে এ বয়সের বাচ্চাদের ক্ষেত্রে সাধারণত এ্যামোক্সিসিলিন বা তৃতীয় জেনারেশন সেফিক্সিম ব্যবহার করা যেতে পারে। মনে রাখবেন এ্যান্টিবায়োটিক অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শেই ব্যবহার করতে হবে। নাক-গলা বাল্ব সাকার দিয়ে পরিষ্কার করলে উপকার পাওয়া যাবে।
    নাকে নরমাল স্যালাইন ড্রপ ব্যবহার করুন, ১ ফোঁটা করে ২ নাকে ৪ বার/৬ বার দিয়ে পরিষ্কার রাখুন নাসিকা পথ।
  • শ্বাসটান বা বুকের আওয়াজের জন্য আমরা সিরাপ স্যালবিউটামল বা নেবুলাইজেশন মেশিনে বাষ্পায়িত স্যালবিউটামল ব্যবহার করতে পারি।

তহথ্যসুত্রঃ গুড হেলথ ডট কম

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here