সারাদিন ভালো থাকতে সকালের তিনটি গোপন বিউটি হ্যাবিট!

0
658
সকালের স্নিগ্ধ আবহাওয়ায় মেডিটেশন এবং ইয়োগা দুটোই ভালো কাজ করে।

সকাল দেখেই বোঝা যায় সারাদিন কেমন যাবে­- লোকমুখে প্রচলিত বেশ কমন একটি কথা এটি। সকাল দেখেই যদি দিনের আভাস পাওয়া যায় তাহলে সকাল সকাল কিছু ভালো কাজ করে সারাদিনের জন্য নিশ্চিন্ত থাকার বুদ্ধিটা নিশ্চয় খুব একটা খারাপ নয়!

সকালে উঠে কি এমন করলে বাকি দিন ভালো থাকা যাবে জানতে ইচ্ছা করছে অবশ্যই? তাহলে আর দেরি না করে জেনে আসা যাক ভালো থাকার গোপন তিনটি বিউটি হ্যাবিট কি কি।

এক গ্লাস পানি পান করুন

সকালে ঘুম থেকে উঠে শুরুতেই এক গ্লাস পানি পান করুন। সারারাত ধরে শুকিয়ে থাকা শরীরের আভ্যন্তরীণ অঙ্গ-প্রত্যঙ্গগুলোকে ভিজিয়ে নিতে এর কোন বিকল্প নেই। শরীরের অভ্যন্তরীণ টক্সিনও বের হয়ে যায় এই পানির সাথে। ব্রেইন সেলকে চালু করা থেকে শুরু করে হাত-পা সবাইকে এনার্জি দিতে ঐ এক গ্লাস পানিই যথেষ্ট। ঘুম থেকে উঠে শুধু শুধু পানি খেতে ভালো না লাগলে এতে মধু বা লেবুর রস মিশিয়ে নিতে পারেন।

  • এক গালস পানির সাথে ১ বা ২ টেবিল চামচ মধু মিশিয়ে নিলে আপনার হজম শক্তি বেড়ে যাবে।
  • মেটাবলিজমকে চাঙ্গা করতে এক গ্লাস ঠাণ্ডা পানির জুড়ি মেলা ভার।
  • এক গ্লাস ঈষদুষ্ণ পানির সাথে অর্ধেকটা লেবুর রস মিশিয়ে খেলে শরীরের বাড়তি চর্বি কেটে যাবে।
সকালে ঘুম থেকে উঠে শুরুতেই এক গ্লাস পানি পান করুন
সকালে ঘুম থেকে উঠে শুরুতেই এক গ্লাস পানি পান করুন

কিঞ্চিত ব্যায়াম করে নিন

শরীরের পানিশুন্যতা পুষিয়ে গেছে? তাহলে এবার সময় ব্যায়াম করার। সকালের স্নিগ্ধ আবহাওয়ায় মেডিটেশন এবং ইয়োগা দুটোই ভালো কাজ করে। এসব যোগাসনের মাধ্যমে আপনি মন, শরীর এবং আত্মা সবাইকেই শান্ত রাখতে পারবেন একসাথে।

মেডিটেশন বা ইয়োগা না করতে চাইলে জগিং এ যেতে পারেন, হাঁটতে পারেন। অথবা কিছু ফ্রি হ্যান্ড এক্সারসাইজও করে নিতে পারেন। যে ব্যায়ামই করুন না কেন, খেয়াল রাখতে হবে ব্যায়াম শেষ করার আগে অবশ্যই ব্রেদিং বা শ্বাসনালীর কিছু এক্সারসাইজ করে করে নিজেকে প্রফুল্ল করে তুলতে হবে। ব্যায়ামের ফলে ঘামের সাথে শরীর থেকে বিশাক্ত সব টক্সিন বের হয়ে যায়। রক্ত সঞ্চালন ভালো রেখে ব্যায়াম আপনার চেহারায় এনে দেবে প্রাকৃতিক উজ্জ্বলতা।

ত্বকের যত্ন নিন

ঘেমে একেবারে ভিজে গেছেন, না? সোজা বাথরুমে ঢুকে একটি লম্বা সময় ধরে শাওয়ার নিয়ে নিন। ভালোভাবে শরীর ভিজতে দিন। পানির সাথে ব্যায়ামের ফলে শরীরে যে অতিরিক্ত তাপ উতপাদন হয়েছিল তা চলে যাবে। গোসল শেষ হলে নরম একটি তোয়ালে দিয়ে ভালো করে সারা গা মুছে নিন।

হাত পা বা শরীরের খোলা অংশে যদিও বা লোশন লাগানো হয় বা এগুলোর টুকটাক যত্ন নেয়া হয়, পিঠ ঘাড়ের মতো জায়গাগুলো বেশির ভাগ সময় রয়ে যায় অবহেলায় অনাদরে। নিজের ত্বককে নিজেই নাহয় এবার আদর করার দায়িত্ব নিন। ভিটামিন ই, সি বা এ সমৃদ্ধ লোশন সারা গায়ে মেখে নিন। এরপর সানস্ক্রিন লোশন লাগিয়ে যে মেকআপ নিতে চান নিয়ে নিন। সুন্দর করে নিজেকে রেডি করে বেরিয়ে যান দুনিয়া জয় করতে।

কৃত্রিম মেকআপের সৌন্দর্য কতক্ষণই বা টেকে? তারচেয়ে বরং এই অভ্যাসগুলো গড়ে তুলে নিজেকে বানিয়ে ফেলুন “ন্যাচারাল বিউটি”।

তথ্যসূত্রঃ লাইফ স্টাইল ৯

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here