স্মার্টফোন ক্রয়ে গুরুত্ব দিতে হবে যে বিষয়গুলো

স্মার্টফোন কিনতে যে বিষয়গুলোয় নজর না দিলেই নয়

স্মার্টফোন ক্রয়ে গুরুত্ব দিতে হবে যে বিষয়গুলোস্মার্টফোন ক্রয়ে গুরুত্ব দিতে হবে যে বিষয়গুলো আধুনিক জীবনে অবিচ্ছেদ্য অনুষঙ্গ হয়ে উঠেছে স্মার্টফোন। যোগাযোগ, ছবি তোলা, কোনো তথ্য ক্লাউডে সংরক্ষণ, ইন্টারনেট ব্রাউজিংসহ বিভিন্ন কাজে ব্যবহার হচ্ছে এ ডিভাইস। তবে এজন্য অবশ্যই একটি ভালো মানের স্মার্টফোন প্রয়োজন। এখন বাজারে রকমারি স্মার্টফোনের ছড়াছড়ি।  এর মধ্য থেকে সেরাটি বেছে নেয়া সহজ নয়! স্মার্টফোন কিনতে যে বিষয়গুলোয় নজর না দিলেই নয়, সেগুলো নিয়ে আয়োজনের আজ প্রথম পর্ব—

কাঠামো

স্মার্টফোনের স্থায়িত্ব নির্ভর করে এর কাঠামোর ওপর। ধাতব ও প্লাস্টিক এ দুই কাঠামোয় বিভক্ত হ্যান্ডসেটের পুরো বাজার। কাচে মোড়ানো স্মার্টফোন কিছু থাকলেও তা খুবই সীমিত। কারণ এসব ডিভাইস একটুতেই ভেঙে যাওয়ার প্রবণতা থাকে। এক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞরা এ হ্যান্ডসেট ব্যবহার না করার পরামর্শ দিয়ে থাকেন। ধাতব বা প্লাস্টিক কাঠামোর স্মার্টফোন ব্যবহারই নিরাপদ।

ডিসপ্লে

ডিসপ্লের আকার ও রেজ্যুলেশন নির্ভর করে স্মার্টফোন ব্যবহারের ওপর। ভিডিও, ছবি বা ভিডিও সম্পাদনা অথবা ডাউনলোড ও সিনেমা উপভোগের জন্য ডিভাইসের ডিসপ্লেটি সাড়ে ৫ থেকে ৬ ইঞ্চি হলে ভালো। আর এইচডি বা কিউএইচডি রেজ্যুলেশন হবে উপযুক্ত। ডিসপ্লের আকার ৬ ইঞ্চির বেশি হলে হ্যান্ডসেটটি শুধু পুরুই নয়, বহন করাও হবে কঠিন। আর ই-মেইল চেকিং, চ্যাটিং ও সামাজিক যোগাযোগ-সংক্রান্ত বিভিন্ন অ্যাপ ব্যবহারের জন্য ৫ থেকে সাড়ে ৫ ইঞ্চির এইচডি বা কিউএইচডি ডিসপ্লে হলেই যথেষ্ট।

ব্যাটারি

স্মার্টফোন ব্যবহারের ওপর নির্ভর করে ব্যাটারির মেয়াদকাল। অ্যাপস, গেমস, স্ট্রিম ভিডিওসহ বিভিন্ন কাজে ব্যবহারের জন্য স্মার্টফোনের ব্যাটারিটি অন্তত ৩ হাজার ৫০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ারের হতে হয়। কিন্তু অল্প কাজে ব্যবহারের জন্য ৩ হাজার মিলিঅ্যাম্পিয়ারের ব্যাটারি হলেই চলে।

ক্যামেরা

মেগাপিক্সেলের অংক বাড়লেই স্মার্টফোনের ক্যামেরাটি সেরা হবে, ধারণা অনেকের। কিন্তু বিষয়টি একেবারেই তা নয়। এক্ষেত্রে ক্যামেরা অ্যাপারচার, আইএসও লেভেল, পিক্সেলের আকার, অটোফোকাসের মতো ব্যাপারগুলোও বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। ১৬ মেগাপিক্সেলের রিয়ার ক্যামেরাটি ১২ মেগাপিক্সেলের তুলনায় ভালো হবে, এটি ভাবার কোনো কারণ নেই। একই কথা বলা চলে ফ্রন্ট-ফেসিং ক্যামেরার ক্ষেত্রেও। একজন আলোকচিত্রী বেছে নিতে পারেন এফ/২.০ অ্যাপারচারের ১২ বা ১৬ মেগাপিক্সেলের ক্যামেরা। এতে ক্ষীণ আলোতেও ভালো ছবি তোলা সম্ভব। আর সাধারণ কাজের জন্য এফ/২.০ থেকে এফ/২.২ অ্যাপারচারের ৮ বা ১২ মেগাপিক্সেলের ক্যামেরা হলেই চলে।

প্রসেসর

প্রসেসিং পাওয়ার স্মার্টফোনভেদে পরিবর্তিত হয়। ওএস সংস্করণ, ইউআই, ব্লটওয়্যারসহ বিভিন্ন বিষয়ে এটি নির্ভরশীল। ছবি, ভিডিও সম্পাদনা, গেমের মতো অ্যাপ ব্যবহার করতে চাইলে কোয়ালকম স্ন্যাপড্রাগন ৬৫২ বা স্ন্যাপড্রাগন ৮২০/৮২১-সংবলিত ডিভাইস ব্যবহারই শ্রেয়। অন্যরা বেছে নিতে পারেন মিডিয়াটেক প্রসেসরযুক্ত হ্যান্ডসেট।

সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here