প্রাকৃতিক উপায়ে গাড়ি পরিষ্কার করুন

পরিবেশের কোনো ক্ষতি না করে গাড়ি পরিষ্কারের কাজটি করা যায় অনায়াসেই।

সাধ ও সাধ্যের মধ্যে নতুন কেনা গাড়িটি আপনার প্রিয় বটে। আর প্রিয় জিনিসের যত্ন মানেই তো বিশেষ কিছু। বাজারে গাড়ি পরিষ্কারের জন্য নানা ধরনের পরিষ্কারক পাওয়া যায়। তবে রাসায়নিক নানা উপাদানে তৈরি এসব পরিষ্কারক অনেক সময় হিতে বিপরীত ফল বয়ে আনে। এমনকি গাড়ি পরিষ্কারের সময় পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর কিছু উপাদান যেমন— গ্যাসোলিন, তেল, হেভি মেটাল পার্টিকেল পানির সঙ্গে মিশে যায়। আর তার সর্বশেষ ঠাঁই হয় নদী কিংবা সাগরে। অথচ পরিবেশের কোনো ক্ষতি না করে গাড়ি পরিষ্কারের কাজটি করা যায় অনায়াসেই।

গাড়ি পরিষ্কারের কাজটি ওয়ার্কশপে না করে বাড়িতেই সেরে ফেলুন। গবেষণায় দেখা গেছে, বাণিজ্যিকভাবে কার ওয়াশে ৩৫-৫০ গ্যালন পানির প্রয়োজন হয়। অথচ একই কাজ বাসায় করতে ১৫ গ্যালন পানি লাগে। এতে শুধু পানির সাশ্রয় হয় তা নয়, পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর এমন রাসায়নিক উপাদান ব্যবহারও কম হয়।

জানেন কি, পানি ব্যবহার না করেও গাড়ি পরিষ্কার করা যেতে পারে! ক্রেতার সুবিধার্থে বাজারে কিছু প্রিমেড ইকোফ্রেন্ডলি ওয়াটারলেস কার ওয়াশ প্রডাক্টস পাওয়া যায়। সেগুলো স্প্রে করে কোনো নরম কাপড়ের সাহায্যে পানি ছাড়াই পরিষ্কার করতে পারেন প্রিয় গাড়িটি।

গাড়ি পরিষ্কারের কাজটি ওয়ার্কশপে না করে বাড়িতেই সেরে ফেলুন।
গাড়ি পরিষ্কারের কাজটি ওয়ার্কশপে না করে বাড়িতেই সেরে ফেলুন।

গাড়ির জানালা, হেডলাইট পরিষ্কার করতে স্কুইজ ব্যবহার করুন। স্কুইজের বদলে নরম একটি কাপড়ে ভিনেগার লাগিয়েও জানালা কিংবা হেডলাইট পরিষ্কারের কাজটি সারতে পারবেন। চকচকে আর ঝকঝকে ভাব ফুটিয়ে তুলতে এর জুড়ি নেই।

গাড়ির সিটের স্যাঁতসেঁতে গন্ধ দূর করতে ব্যবহার করুন বেকিং সোডা। সামান্য কিছু বেকিং সোডা সিটের উপর দিয়ে ৩০ মিনিট থেকে ২ ঘণ্টার মতো রাখুন। এর পর সিট পরিষ্কার করে ফেলুন।

গাড়ির ভেতরের ধুলাবালি পরিষ্কার করতে কিংবা আঠালো কোনো কিছু তুলতে প্রাকৃতিকভাবে তৈরি একটি মিশ্রণ ব্যবহার করতে পারেন। তাজা লেবুর রস ও সামান্য অলিভ অয়েল একসঙ্গে বাটিতে নিন। এ মিশ্রণটি শুধু পরিষ্কার নয়, একটা মিষ্টি গন্ধ ছড়িয়ে দেবে আপনার চারপাশে। চাইলে এই মিশ্রণটি পরিষ্কার কোনো জারে করে ফ্রিজেও রেখে দিতে পারেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here