বাজে আর্টের জাদুঘর

0
450
দ্য মিউজিয়াম অফ ব্যাড আর্ট যা এক কথায় মোবা নামে পরিচিত, একটি মহৎ উদ্দেশ্য সামনে রেখে এগিয়ে চলছে

দ্য মিউজিয়াম অফ ব্যাড আর্ট যা এক কথায় মোবা নামে পরিচিত, একটি মহৎ উদ্দেশ্য সামনে রেখে এগিয়ে চলছে। তাদের সেই উদ্দেশ্যটি হল শিল্পীদের সেই সব কাজকে স্বীকৃতি দেয়া এবং স্থান দেয়া যা নিয়ে আর কোন সংগঠন উৎসাহ দেখাবে না। বোঝাই যাচ্ছে আলাপ হচ্ছে খারাপ আর্টের জাদুঘর নিয়ে!

মিউজিয়াম বা জাদুঘরের বৈচিত্র্যের দিক থেকে ব্যাড আর্ট মিউজিয়াম অন্যতম
মিউজিয়াম বা জাদুঘরের বৈচিত্র্যের দিক থেকে ব্যাড আর্ট মিউজিয়াম অন্যতম

মিউজিয়াম বা জাদুঘরের বৈচিত্র্যের দিক থেকে ব্যাড আর্ট মিউজিয়াম অন্যতম। বিশ্বে সমাদৃত ও বৈচিত্র্যপূর্ণ মিউজিয়ামের মধ্যে একে দেখা হয় সবচেয়ে আকর্ষণীয় হিসেবে। বোস্টনের এই জাদুঘরে বাজে ছবির প্রদর্শনী করা হয়। জাদুঘরে স্থান পাওয়ার ছবিগুলোর অন্যতম ও একমাত্র যোগ্যতা- ছবিটি খারাপ হতে হবে। আঁকা যত খারাপ, ততই এই জাদুঘরে ঠাঁই পাওয়া সহজ হবে। ছবির গুণাগুণ খারাপ হলেই এখানে মিলতে পারে তার ঠাঁই। যেমন, কেউ একটি ছবি আঁকলেন কিন্তু সেটা ভালো হলো না। তাহলে সেটা জায়গা নিয়ে নেবে এই জাদুঘরে। নিজের কাছেই খারাপ হলে হবে না, সবার কাছেই গ্রহণযোগ্যতা না পাওয়া ছবিগুলোই এখানে সংগ্রহ করে রাখা হয়েছে।

ব্যাড আর্ট মিউজিয়ামের ছবি
ব্যাড আর্ট মিউজিয়ামের ছবি

অদ্ভুত বিষয় এটিই যে অনেকে খারাপ ছবি এঁকে জায়গা পেয়ে যান এই মিউজিয়ামে, সঙ্গে যেন মিলে যায় খ্যাতিও। বাজে ছবি এঁকেও যে বিখ্যাত হওয়া যায় সেটাই এই মিউজিয়ামের কল্যাণে করে দেখিয়েছেন অনেকে। তাই বলে ছবি এঁকে শিল্পী নিজে এখানে সেগুলো রেখে যান না। এই মিউজিয়ামের বেশির ভাগ ছবি হয় কারও দান করা, না হয় ময়লা-আবর্জনার মধ্য থেকে কুড়িয়ে আনা।

নতুন কিছু চালু হলে অতি উৎসাহীর অভাব হয় না যুক্তরাষ্ট্রে
নতুন কিছু চালু হলে অতি উৎসাহীর অভাব হয় না যুক্তরাষ্ট্রে

নতুন কিছু চালু হলে অতি উৎসাহীর অভাব হয় না যুক্তরাষ্ট্রে। চাই কেবল প্রচার। স্কট আর জেরির মাথায় তখন কিলবিল করছে আইডিয়া। ছবির প্রদর্শনীকে আকর্ষণীয় করতে দুই মাথা একসঙ্গে হয়ে বের করল অভিনব সব কৌশল। প্রদর্শনীর সঙ্গে চালাতে লাগল অখাদ্য সব আবহসংগীত। টিকিট বেচার টাকা দিয়ে ম্যাসাচুসেটসে তিনটি গ্যালারি বানিয়ে ফেললেন স্কট, জেরি আর তাঁদের আরেক পার্টনার জ্যাকসন।

এক দশকের মাথায় রাতারাতি বিখ্যাত হয়ে গেল এই জাদুঘর। এমনকি ছবিগুলো বিক্রিও হতে লাগল! এসব কথা শুনে মনে মনে যাঁরা ভেবে বসলেন, এবার বুঝি যেমন তেমন করে আঁকা, শখের আঁকিয়েদের শিল্পকর্ম পাঠানোর একটা জায়গা পাওয়া গেল; তাঁদের জন্য দুঃসংবাদ, যেনতেন ছবি নেয় না এই জাদুঘর ।

বিখ্যাত কোনো ছবির হাস্যকর অনুকরণ
বিখ্যাত কোনো ছবির হাস্যকর অনুকরণ

যে ছবিটি আসলেই বাজে, নেবে শুধু সেটাই। ছবিটি কতটা বাজে হলো, সেটা যাচাই করার জন্য আছে বেশ কয়টি মানদণ্ড। বড় কোনো শিল্পীর দেখাদেখি মারকুটে একটা ছবি আঁকতে গিয়ে শেষ পর্যায়ে যদি তালগোল পাকিয়ে ফেলেন, তবেই সেটি নেবে এই মিউজিয়াম। বিখ্যাত কোনো ছবির হাস্যকর অনুকরণও হতে পারে ব্যাড আর্ট মিউজিয়ামে নজর কাড়ার উপায়।

তথ্যসূত্রঃ উইকিপিডিয়া

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here