দাঁতকে করুন ঝকঝকে

ঝকঝকে দাঁত।

সুন্দর হাসির পেছনে লুকানো কথাটি হলো ঝকঝকে সাদা দাঁত। সৌন্দর্য বিলীন হয়ে যাবে যদি দাঁত সৌন্দর্য হারায়। নিয়মিত তামাকজাতীয় দ্রব্য গ্রহণ, চা কফি পান কিংবা নিয়মিত যত্ন না নেয়ার কারণে দাঁতে হলদে বা কালচে ভাব তৈরি হয়। তবে চাইলে ঘরোয়া পদ্ধতিতেই সেরে ফেলতে পারেন দাঁত সাদা করার কাজ—

কমলার খোসা।
কমলার খোসা।

কমলা খেয়ে খোসা ফেলে না দিয়ে দাঁত পরিষ্কারের কাজে ব্যবহার করুন। খোসার ভেতরের অংশ দিয়ে দাঁত ঘষতে থাকুন। বেশকিছুটা সময় ঘষার পর স্বাভাবিক নিয়মে দাঁত ব্রাশ করে ধুয়ে ফেলুন। এতে দাঁতের হলদে ভাব চলে যাবে নিমেষেই। কমলার খোসায় আছে ভিটামিন সি, পেকটিন ও লিমোনিজ। এই উপাদানগুলো দাঁত সাদা করতে সক্ষম।

অ্যালোভেরা জেল।
অ্যালোভেরা জেল।

শুধু ত্বকের যত্নেই নয়, দাঁত সাদা করতেও ব্যবহার করতে পারেন অ্যালোভেরা। একটু জেল নিয়ে দাঁতে ঘষুন। কিছুক্ষণ ঘষার পর ব্রাশ করে ফেলুন।

বেকিং সোডা ।
বেকিং সোডা ।

প্রতিদিন রাতে ব্রাশে খানিকটা বেকিং সোডা নিয়ে ব্রাশ করুন। দেখবেন দাঁত চকচকে দেখাবে। অথবা টুথপেস্ট ব্যবহারের আগে একবার শুধু বেকিং সোডা দিয়ে দাঁত ব্রাশ করে নিতে পারেন।

 স্ট্রবেরি ।
স্ট্রবেরি ।

যারা স্ট্রবেরি খেতে ভালোবাসেন, তাদের জন্য সুখবর হচ্ছে আপনার প্রিয় এই ফলটিও এখন থেকে কাজে লাগবে দাঁত ঝকঝকে করার ক্ষেত্রে। একটা স্ট্রবেরি, কয়েক চিমটি লবণ আর আধা চামচ বেকিং সোডা একসঙ্গে মিশিয়ে পেস্টের মতো তৈরি করুন। এবার সেই পেস্ট দিয়ে দাঁত ব্রাশ করতে থাকুন। ৫ থেকে ৬ মিনিট ব্রাশ করুন। আর সবচেয়ে ভালো হয় যদি এই পদ্ধতি রাতে অনুসরণ করা যায়। তবে যদি হঠাৎই চোখে পড়ে দাঁত হলদেটে হয়ে আছে এবং আপনার হাতে সময়ও নেই খুব একটা, তাহলে এক টুকরো স্ট্রবেরি এমনিতেই চিবুতে থাকুন দেখবেন দাঁতের হলদেটে ভাব দূর হয়েছে।

নারকেল তেল।
নারকেল তেল।

নারকেল তেল যে শুধু চুল আর ত্বকের যত্নেই ব্যবহূত হয়, তা কিন্তু নয়। মজার ব্যাপার হলো আপনার দাঁত ঝকঝকে রাখার উপাদান হিসেবেও এটি বেশ কার্যকর। সকালে দাঁত ব্রাশ করার আগে এক টেবিল চামচ নারকেল তেল মুখে নিয়ে কুলকুচা করতে থাকুন। ১০ মিনিটের মতো মুখে রেখে কুলি করে নিন। এর পর স্বাভাবিক নিয়মে দাঁত ব্রাশ করে ফেলুন।

SHARE
Next articleমজাদার চিকেন পাস্তা সালাদ
লায় জীবন শৈলী। আপানার দৈনন্দিন জীবনকে আরেকটু সহজ ও সুন্দর করে তুলতেই আমাদের এই প্রয়াস। দৈনন্দিন জীবনের ফ্যাশন, সাজ-সজ্জা, খাবার-দাবার, স্বাস্থ্য, জীবনারচরণ, বিশেষজ্ঞের মতামত সহ সকল বিষয়ে আপনাকে পরিপূর্ণ রাখতেই "Living Art Style" সাথে থাকুন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here